হে গো শুনছো। সেই তখন থেকে ঘুমে ঝুলছো। আরে ওঠো না একটা সুখবর আছে।
কি সুখবর আচ্ছা বলো দেখি?
আরে বাবা আমাদের বৌমা সুপ্রিয়া মা হতে চলছে তো।
-
গল্প
“অবহেলা”নয়ন আহমেদ -
গল্প
সোনাবন্ধুমোজাম্মেল কবিরভোর রাতে রেলওয়ে পুলিশ এসে লাশটা নিয়ে যায়। রেলে কাটা লাশের দুইটা টুকরা বাঁশের চাটাই দিয়ে বাঁধে। লাশটা নিয়ে যখন অফিসের সামনে রাখে তখন হুইসেল দিয়ে হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনটি নেত্রকোনা কোর্ট স্টেশনে এসে দাড়ায়। রাত দুইটার লোকাল ট্রেনে কাটা পড়ে মানুষটা। স্টেশনের এতো কাছে এইভাবে মানুষ কাটা পড়তে দেখা যায় না সচরাচর।
-
গল্প
অবহেলিত নবজন্মানাহিদ সাজ্জাদক্ষণজন্মা নামে সম্বোধন করলাম।সে চলে গেছে ফ্যাকাসে দেহকাঠামো অবশিষ্ঠ রেখে।সেদিনও নানান মুখে একটি কথায় শুনতে পেলাম।
-আহা,কি সুন্দর ছিল মেয়েটা! -
গল্প
খেলাSalma Siddikaবারান্দা ছাড়িয়ে আকাশ দেখে মনে হচ্ছে হাত বাড়িয়ে মেঘ ছোঁয়া যাবে। একটু পরেই ঝড় আসবে মনে হচ্ছে, আকাশে ঘন ধূসর মেঘ জমে অনেকটা নেমে এসেছে হাতের নাগালের মধ্যে। ঊনিশ তলার ফ্ল্যাটে থাকার এই আনন্দটা রেশমার একান্ত নিজস্ব।
-
গল্প
বাঘাইছড়ির সূর্যোদয়সুজায়েত শামীমলোহার গেটের কাছে দাঁড়াতেই ভেতর থেকে ভেসে এলো এক বয়ষ্ক মানুষের ভৎর্সনা। কি যেন বলে ধমকালেন! শিকগুলোর ফাকা দিয়ে যতটুকু চোখ গেলো, বিস্তর ফাকা মাঠ। শেষ প্রান্তে একটি দ্বিতল ভবন। এল প্যাটানের.......
-
গল্প
“নিষ্ঠুর এ সংসার”মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকীসবে মাত্র আমি দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। গ্রামের দেখাদেখি আর মা বাবার এক ছেলে নষ্ট হয়ে গেলে কেমন হবে এ বিবেচনা করে আমার অজান্তে বাবা আমার জন্য মেয়ে দেখতে লাগলো। আমার এখনও বিয়ে সম্পর্কে পুরোপুরি ধারনা হয়নি। মা রাজি ছিল না।
-
গল্প
অবহেলাkazi zuberi mostakপিতার প্রতি সন্তানের অবহেলা সহ্য হলোনা তোমার সেই শোক সইতে না পেরে তুমিও চলে গেলে আমাকে আরো অন্ধকারের অতল গহবরে রেখে ৷ এখন আমার সময় কাটে ৫'×৪' ফুটের একটা ছোট্ট ঘরে যা কিনা তোমার আদরের সন্তানদের ষ্টোর রুম হিসেবে ব্যবহার হয় সেখানে অপ্রয়োজনীয় সব কিছুই অযত্নে অবহেলায় পরে থাকে
-
গল্প
কিসে আছো তুমিমোহাম্মদ মন্জুর আলম কাব্যবাড়ছে যত দিন কমছে তত আয়ু।
বাড়ছে যত দিন দুর্বল হচ্ছে স্নায়ু। -
গল্প
অবহেলার শব্দাবলীতে নগ্ন বাস্তবতারংতুলিএখন রাত ৩.১০ মিনিট। প্রকৃতি গভীর ঘুমে আছন্ন। ভাবছি, গল্পটা শেষ করে, আমিও ঘুমিয়ে যাব, মিশে যাব প্রকৃতির একাত্মে।
-
গল্প
মায়াআবু রায়হান ইফাতজ্ঞান ফিরে ফেলাম, চোখ মেলে চারদিক তাকিয়ে দেখলাম, মাথার পাশে বসে নিরবে কাঁদছে ও । বাবা মা ও হাসপাতালের কেবিনে ছিলো তারা কিছু সময়ের জন্য বাহিরে গেছে। এটাই প্রথম সময়, ও আমার পাশে বসে আছে। অনেক সুখী মনে হচ্ছে আজ নিজেকে, ভাবতে পারিনি কখনো অন্তিম শয্যায় এতটা সুখ আমার জন্য অপেক্ষামান ছিলো।
এপ্রিল ২০১৭ সংখ্যা
আগামী সংখ্যার বিষয়
গল্পের বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
কবিতার বিষয় "তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৬
এ যাবত
