প্রত্যাশার সিঁড়ি ভাঙা অঙ্ক
দীপঙ্কর বেরা
প্রত্যাশা সংখ্যা, আগষ্ট ২০২০
অনিন্দ্য রেজাল্ট নিতে স্কুলে যাছে। রাস্তায় গ্রামের মৃদুল ডাক্তারের সঙ্গে দেখা। বলল - তোর রেজাল্ট নিতে গিয়ে কাজ নেই। তুই তো ফার্স্ট হবি সবাই জানে। লাজুক হেসেছিল অষ্টম শ্রেণিতে পড়া অনিন্দ্য।
তারপর বাদবাকী রাস্তা শুধু মনে দূরু দুরু ভাব। যদি ফার্স্ট না হই। যদি মোহন ফার্স্ট হয়ে যায়। অর বাবা স্কুলের প্রেসিডেণ্ট। যদি অধীর ফার্স্ট হয়। ওর বাবা মৃণালবাবু আমাদের শিক্ষক।